এই ক্যালকুলেটর কী দেয়
- Shunting‑yard ভিত্তিক সেফ পার্সার ব্যবহার করে ভিন্ন রঙে সর্বোচ্চ তিনটি ফাংশন প্লট করে।
- সাইন পরিবর্তন স্ক্যান করে x‑ইন্টারসেপ্ট ও ছেদবিন্দু শনাক্ত করে, এরপর বায়সেকশন দিয়ে অভিসরণে নিয়ে যায়।
- সংখ্যাত্মক ডেরিভেটিভ থেকে সীমান্ত বিন্দু বের করে: f′ ক্রিটিকাল পয়েন্টের ব্র্যাকেট, f″ সেটিকে ন্যূনতম/সর্বাধিক হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করে।
- ইনপুট, রেঞ্জ ও অপশনগুলো URL‑এ এনকোড হয়, তাই একই ভিউ ও স্টেপ‑লগ শিক্ষার্থীদের সাথে সহজে শেয়ার করা যায়।
শুধু শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে। ফলাফলের উপর নির্ভর করার আগে সূত্র ও রেঞ্জ যাচাই করুন।
ফাংশন ও রেঞ্জ সেট‑আপ করুন
সনাক্তকৃত বিন্দু
সনাক্তকৃত বিন্দু: 0
কীভাবে হিসাব করা হয়
গ্রাফ ভিউ
ক্যানভাসের উপর পয়েন্টার নাড়ালে কোঅর্ডিনেট দেখা যাবে।
কিবোর্ড শর্টকাট: তীর চিহ্নে প্যান, +/- জুম, F চাপলে Y‑রেঞ্জ ফিট, R চাপলে ভিউপোর্ট রিসেট।
শিক্ষকের জন্য নোট
- স্টেপ‑লগে প্রতিটি ব্র্যাকেট, ইন্টারভাল‑উইডথ ও g(x) মান সংরক্ষণ হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা বায়সেকশন পদ্ধতির ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারে।
- সীমান্ত বিন্দু নির্ণয়ে f′‑এর সাইন পরিবর্তন ও f″‑এর সাইন ব্যবহার করা হয়, ফলে সংখ্যাত্মক পদ্ধতি আর ক্যালকুলাস‑ধারণার সংযোগ বোঝানো সহজ হয়।
- ক্যানভাস নিয়ন্ত্রণ মাউস, টাচ ও কিবোর্ড—তিনভাবেই কাজ করে, তাই একই গ্রাফ ক্লাসে বা অনলাইনে পুনরুত্পাদন করা যায়।
প্রশ্নোত্তর (FAQ)
ক্যালকুলেটর কীভাবে ছেদবিন্দু বা x‑ইন্টারসেপ্ট খুঁজে পায়?
ভিউপোর্টকে নির্দিষ্ট ধাপে স্যাম্পল করে যেখানে সাইন পরিবর্তন হয় সেই ব্র্যাকেটগুলো ধরা হয়। প্রতিটি ব্র্যাকেটের উপর সর্বোচ্চ ৪০ বার বায়সেকশন চালিয়ে মধ্যবিন্দু, g(x) ও ইন্টারভাল‑উইডথের লগ রাখা হয়, যাতে অভিসরণ ধাপে ধাপে দেখা যায়।
Degrees ও radians বদলালে কী পরিবর্তন হয়?
নির্বাচিত ইউনিট অনুযায়ী ত্রিকোণমিতিক মানগুলো অভ্যন্তরীণ ভাবে কনভার্ট হয়। Degrees নিলে sin(90) = 1 ধরা হয়, আর radians নিলে sin(pi/2) এর মত মান ব্যবহার করতে হয়—এর ফলে গ্রাফের স্কেল সঠিক থাকে।